CPIM Anil Sarkar : শোষিত, নির্যাতিত ও সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রয়াত নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী অনিল সরকারের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বুধবার ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতির উদ্যোগে আগরতলার আম্বেদকর ভবনে প্রয়াত নেতার স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় এই অভিমত ব্যক্ত করেন বিরোধী দলনেতা তথা সিপিআই(এম)-এর রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সুধন দাস-সহ বামফ্রন্টের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। সভায় অনিল সরকারের রাজনৈতিক জীবন, বহুমুখী প্রতিভা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য তাঁর দীর্ঘদিনের অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, অনিল সরকার কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা বা মন্ত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন কবি, লেখক এবং সমাজসচেতন মানুষ। রাজনীতি ও সাহিত্য—দুই ক্ষেত্রেই তাঁর নিজস্ব পরিচয় ছিল। শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন। সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, অনিল সরকারের রাজনৈতিক জীবন ছিল মানুষের জন্য নিবেদিত। তপশিলি জাতি-সহ সমাজের প্রান্তিক অংশের মানুষের সামাজিক মর্যাদা, অধিকার ও উন্নয়নের প্রশ্নকে তিনি সবসময় গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর চিন্তা, আদর্শ ও সংগ্রামের পথ আগামী প্রজন্মের কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
সভায় বক্তারা বলেন, সময়ের সঙ্গে অনিল সরকার শারীরিকভাবে আমাদের মধ্যে না থাকলেও তাঁর কর্ম ও আদর্শ মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকবে। শোষিত-নির্যাতিত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।






