Manuvalley Tea Garden News : বিখ্যাত কৈলাসহরের মনুভ্যালি চা বাগানের ব্র্যান্ড নাম ব্যবহার করে বাজারে বিক্রি হচ্ছে নিম্নমানের নকল চা পাতা—এমন অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ত্রিপুরাজুড়ে। বাগান কর্তৃপক্ষের দাবি, বহিরাজ্য থেকে আসা এই নকল চা কম দামে বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে। আমবাসা, কুমারঘাট, তেলিয়ামুড়া থেকে শুরু করে রাজধানী আগরতলার বিভিন্ন এলাকাতেও নকল প্যাকেট পৌঁছে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বিশেষ করে জনপ্রিয় ‘মনুভ্যালি জুয়েল টি’-এর প্যাকেট হুবহু নকল করে এই চা বাজারজাত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে একদিকে যেমন ক্রেতারা আসল-নকলের পার্থক্য বুঝতে সমস্যায় পড়ছেন, অন্যদিকে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে মনুভ্যালি চা বাগান। একইসঙ্গে নকল পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব তথা জিএসটি ফাঁকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাগান কর্তৃপক্ষ। সংবাদমাধ্যমের সামনে মনুভ্যালি চা বাগানের এইচআর ম্যানেজার প্রবীর দে জানান, প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে নকল চা বাজারজাতকারী চক্রের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে।
তবে সাধারণ ক্রেতারা কীভাবে চিনবেন আসল মনুভ্যালি চা? কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আসল প্যাকেটের গায়ে থাকবে বিশেষ সিকিউরিটি স্টিকার। নকল প্যাকেটে এই সুরক্ষামূলক স্টিকার থাকার কথা নয়। পাশাপাশি আসল প্যাকেটে ব্যাচ নম্বর এবং সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বা এমআরপি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
৫০ গ্রাম, ১০০ গ্রাম এবং ২৫০ গ্রাম—প্রতিটি আসল প্যাকেটেই সিকিউরিটি স্টিকার থাকার কথা জানিয়েছে বাগান কর্তৃপক্ষ।
তাই মনুভ্যালি চা কেনার আগে প্যাকেটের স্টিকার, ব্যাচ নম্বর ও এমআরপি ভালোভাবে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভুয়ো প্যাকেটের মাধ্যমে প্রতারিত না হতে ক্রেতাদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।






