Ambassa Pradhan News : সরকারি বরাদ্দের মাছ ও মাছের খাদ্য অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল আমবাসার পূর্ব নালিছড়া পঞ্চায়েত এলাকায়। অভিযোগের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখালেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে পঞ্চায়েত এলাকার জন্য বরাদ্দ করা মাছ ও মাছের খাদ্য নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছনোর পরিবর্তে একটি গাড়িতে করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসতেই তাঁরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সরকারি সম্পদ অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে গাড়িটি আটকে দেন তাঁরা।
গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, এই ঘটনার সঙ্গে পঞ্চায়েতের গ্রামপ্রধানের ভূমিকা রয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্ত গ্রামপ্রধানের বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরা। বিক্ষোভকারীদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁকে ‘মাছ চোর’ বলে অভিহিত করেন। যদিও অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনায় কার কী ভূমিকা রয়েছে, তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ।
গ্রামবাসীদের বক্তব্য, সরকারি প্রকল্পের আওতায় পঞ্চায়েত এলাকার জন্য যে মাছ ও মাছের খাদ্য বরাদ্দ করা হয়, তা এলাকার মানুষের স্বার্থেই ব্যবহারের কথা। সেই বরাদ্দ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হলে প্রকৃত উপভোক্তারা বঞ্চিত হবেন। তাই সরকারি সম্পদ কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এবং কেন তা সরানো হচ্ছিল, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া জরুরি বলে দাবি তাঁদের।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিকভাবে খোঁজখবর শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সরকারি বরাদ্দের মাছ ও খাদ্য সত্যিই অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল কি না, কিংবা এর পেছনে কারও অনুমোদন ছিল কি না—তা এখনও স্পষ্ট নয়।
গ্রামবাসীদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি সামনে আনা হোক। বরাদ্দকৃত মাছ ও মাছের খাদ্য কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কার নির্দেশে তা সরানো হচ্ছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত—সবকিছু খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।






