Bishalgarh Sushanta Deb : ‘শ্রমের ঘামে আত্মীয়তার ভোজ’—এই ভাবনাকে সামনে রেখে শ্রমজীবী মানুষদের সঙ্গে এক আন্তরিক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হলো বিশালগড়ের রতননগর বর্মনটিলা এলাকায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এলাকার শ্রমিক ভাই-বোনদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে খাবার খান উপস্থিত অতিথিরা। আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক সুশান্ত দেব, প্রভুরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিনা লস্কর, বিশিষ্ট সমাজসেবী শুভঙ্কর সাহা-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। পাশাপাশি এলাকার শ্রমজীবী মানুষজনও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
শ্রমজীবী মানুষের অবদানকে সম্মান জানানো এবং তাঁদের সঙ্গে সৌহার্দ্য ও আত্মীয়তার বন্ধন আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যেই এই প্রীতিভোজের আয়োজন বলে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও এই ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মত প্রকাশ করেন উপস্থিত অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন উপস্থিত অতিথিরা। তাঁদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও দৈনন্দিন জীবনের নানা বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের চাকা এগিয়ে চলে—এমন কথাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে।
এদিনের আয়োজনকে ঘিরে রতননগর বর্মনটিলা এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। শ্রমিকদের সঙ্গে একইসঙ্গে বসে আহার করার মধ্য দিয়ে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা তুলে ধরা হয়।
উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, শ্রমিকদের শুধু শ্রমের জন্য নয়, সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সম্মান জানানো প্রয়োজন। তাঁদের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মানসিকতা সমাজে আরও শক্তিশালী হওয়া দরকার। সেই ভাবনা থেকেই ‘শ্রমের ঘামে আত্মীয়তার ভোজ’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শ্রমিকরাও এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা একসঙ্গে সময় কাটানোয় তাঁরা আনন্দিত বলে জানান।






