Police Constable Recruitment : ত্রিপুরা পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে। ২০২২ সালে শারীরিক পরীক্ষা দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও পরবর্তী ধাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি বলে অভিযোগ একাংশ বেকার যুবকের। তাঁদের দাবি, গত চার বছরে একাধিকবার ডেপুটেশন দিয়েও প্রশাসনের কাছ থেকে সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি। ফলে বাধ্য হয়ে বুধবার ফের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ডেপুটেশন দিতে আসেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর ত্রিপুরা পুলিশের পক্ষ থেকে ১,০০০টি কনস্টেবল পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সরকারি নথি অনুযায়ী, এই নিয়োগে পুরুষ ও মহিলা উভয় প্রার্থীর জন্য পদ নির্ধারিত ছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জেলায় শারীরিক মাপ, শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা ও নথি যাচাইয়ের জন্য নিয়োগ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট তথ্য না থাকায় তাঁদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়া, অন্য চাকরির প্রস্তুতিতে সমস্যা এবং দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করার কারণে অনেকেই মানসিক ও আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছেন বলেও দাবি তাঁদের।
এর আগেও ত্রিপুরা পুলিশের অন্য একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা ফল প্রকাশ ও নিয়োগ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে ডেপুটেশন দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালে ৬,০৬২টি স্পেশাল এক্সিকিউটিভ পদ সংক্রান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রার্থীরা আন্দোলন করেছিলেন।
এদিনের ডেপুটেশনে চাকরি প্রার্থীদের মূল দাবি ছিল, দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে দ্রুত পরবর্তী পরীক্ষার সূচি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি স্পষ্ট করা এবং যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করা। এবার প্রশাসন এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন অপেক্ষমাণ তরুণরা।






