ভোররাতে মোবাইল দোকানে চোরের হানা : ভোররাতের অন্ধকারে মোবাইল দোকানের তালা ভেঙে একের পর এক বহুমূল্যবান মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে তেলিয়ামুড়া বাজার এলাকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাজারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই বাজার এলাকায় যদি রাতের অন্ধকারে দোকানের তালা ভেঙে দুষ্কৃতীরা নির্বিঘ্নে চুরি করে পালিয়ে যেতে পারে, তাহলে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত—তা নিয়েই এখন উদ্বেগ বাড়ছে।
জানা গেছে, তেলিয়ামুড়া বাজারে অবস্থিত ভান্ডারী মোবাইলস্ নামের দোকানেই ঘটে এই চুরির ঘটনা। অভিযোগ, ভোররাতের দিকে অজ্ঞাতপরিচয় চোরেরা দোকানের সামনে এসে তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। এরপর দোকানের ভিতর থেকে একাধিক দামি মোবাইল ফোন নিয়ে চম্পট দেয় তারা।
সকালে দোকানের মালিক চিত্তরঞ্জন ভান্ডারী বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে এসে দেখেন দোকানের তালা ভাঙা। ভিতরে ঢুকে তিনি দেখতে পান, বেশ কিছু মোবাইল ফোন নেই। ঘটনাটি জানাজানি হতেই মুহূর্তের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাজার এলাকায়।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। দোকানের ভিতরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ঠিক কতগুলি মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে এবং মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, তা জানার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি দোকানের আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
চোরেরা কীভাবে বাজার এলাকায় প্রবেশ করল, কতজন এই ঘটনায় জড়িত এবং চুরির পর তারা কোন পথে পালিয়ে গেল—এসব বিষয়ও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। একইসঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
এই ঘটনার পর তেলিয়ামুড়া বাজারে রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি উঠেছে। বাজারে নিয়মিত পুলিশি টহল এবং নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে।
এখন দেখার বিষয়, পুলিশি তদন্তে এই চুরির ঘটনার রহস্য কত দ্রুত উন্মোচিত হয় এবং চুরি যাওয়া বহুমূল্যবান মোবাইল ফোনগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয় কি না।






