Dharmanagar Yuva Morcha News : দুর্গাপূজার প্রাক্কালে ধর্মনগর শহরের সেন্ট্রাল রোডে স্করপিও গাড়ি নিয়ে বেপরোয়া আচরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার রাতে এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তর নয়াপাড়া এলাকার দুই যুবককে আটক করে ধর্মনগর থানার পুলিশ। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট গাড়িটি থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আটক দুই যুবক অশেষ দাস (২২) ও বিশেষ দাস (২১)। দু’জনেরই পিতার নাম নারায়ণ দাস। অভিযোগ, AS01FU2222 নম্বরের স্করপিও নিয়ে তাঁরা সেন্ট্রাল রোডে বেপরোয়া আচরণ করছিলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ তাঁদের আটক করে এবং গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে নেয়।
ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, যুব মোর্চার নাম ব্যবহার করে কিছু যুবক রাতের বেলা দামি গাড়িতে উচ্চস্বরে ডিজে বাজিয়ে শহরে ঘোরাফেরা করছেন। এই প্রবণতার পিছনে উত্তর জেলার যুব মোর্চার সভাপতি রনি দে এবং রাজ্যস্তরের নেতা জন্মজিৎ কানুর মদত রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এমনকি আটক দুই যুবককে ছাড়াতে গভীর রাতে ধর্মনগর থানায় গিয়ে ওই নেতারা পুলিশের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট নেতাদের কোনও নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত নয়।
পাশাপাশি, দুই যুবকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না বলেও দাবি উঠেছে। তাঁরা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন কি না, তা-ও তদন্তসাপেক্ষ।
দুর্গাপূজার আগে ধর্মনগরের রাস্তায় ভিড় বাড়তে থাকায় বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগ জননিরাপত্তার প্রশ্নকে সামনে এনেছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর দাবিও উঠেছে।
এখন নজর, তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগগুলির বিষয়ে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে।






