CPIM Protest News : আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী বামফ্রন্টের দাবি, মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে তাঁদের প্রার্থী ও কর্মীরা বাধা এবং হামলার মুখে পড়ছেন। এই ঘটনায় শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বামফ্রন্ট। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় বিরোধী প্রার্থীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করার দাবিতে বুধবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন বামফ্রন্টের নেতা-কর্মীরা।
বামফ্রন্টের অভিযোগ, মোহনপুর, জিরানিয়া, রানিরবাজার, কমলপুর ও শান্তিরবাজার-সহ রাজ্যের একাধিক এলাকায় তাঁদের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। কোথাও প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও বিরোধী কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বামফ্রন্টের দাবি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার থাকা সত্ত্বেও বিরোধী প্রার্থীরা স্বাভাবিকভাবে মনোনয়ন জমা দিতে পারছেন না।
এই পরিস্থিতিতে বুধবার বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। কমিশনের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের পাশাপাশি প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সরব হন উপস্থিত নেতা-কর্মীরা। ছিলেন বাম নেতা রতন দাস সহ নারী নেত্রী ও যুবারা। তাঁদের দাবি, প্রতিটি প্রার্থী যাতে নির্বিঘ্নে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন, তার জন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে আরও দাবি জানানো হয়, মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনগুলিতে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি যেসব এলাকায় বাধা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
নির্বাচন কেবল ভোটগ্রহণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গণনা পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে সমস্ত রাজনৈতিক দলের সমান সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
এদিন নির্বাচন কমিশনের কাছে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আবেদন জানায় বামফ্রন্ট। পাশপাশি মোহনপুর মহকুমার প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও জোরালো সমালোচনা করেন বাম নেতা রতন দাস।
মন্ত্রী রতন লাল নাথের নামেই ভয় পান এসডিপিও ও পুলিশ বাবুরা। তাই অপরাধ হলেও পুলিশের ভূমিকা শূন্য। এমনটাও অভিযোগ তুলেছেন বাম নেতারা।
নির্বাচন যত এগোচ্ছে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা শান্তি সম্প্রীতির বার্তা দিলেও সেই বার্তা নিচু স্তরের কর্মীদের মধ্যে কতটা মান্যতা পাচ্ছে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।






