Tripura Diwali 2026 : আলোর উৎসব দীপাবলিকে সামনে রেখে বাজারে মোমের চাহিদা বাড়লেও ব্যবসায়িক মন্দার মুখে পড়েছেন সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত মোম প্রস্তুতকারকরা। উৎসবের মরশুমে ভালো ব্যবসার আশায় প্রস্তুতি নিলেও এবার প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রিবাট্টা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁদের। এর ফলে উৎপাদন থেকে শুরু করে কর্মসংস্থান, সব ক্ষেত্রেই দেখা দিয়েছে নেতিবাচক প্রভাব।
সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত মোম প্রস্তুতকারকদের অভিযোগ, বর্তমানে বিভিন্ন বাড়িঘরে ছোট ছোট পরিসরে মোম তৈরি করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই উৎপাদন ও বিপণন চলছে। ফলে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। কম দামে বাজারে মোম বিক্রি হওয়ায় তাঁদের উৎপাদিত মোমের চাহিদা ও বিক্রির পরিমাণ ক্রমশ কমছে বলে দাবি প্রস্তুতকারকদের।
ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, মোম তৈরির জন্য কাঁচামাল সংগ্রহ, উৎপাদন খরচ, কর্মীদের বেতন এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বহন করতে হয়। সরকারি নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করার কারণে তাঁদের খরচও তুলনামূলকভাবে বেশি। অন্যদিকে, অনুমোদনহীনভাবে উৎপাদিত মোম বাজারে বিক্রি হওয়ায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে তাঁদের আয়ের উপর।
শুধু ব্যবসায়িক ক্ষতিই নয়, মন্দার প্রভাব পড়েছে কর্মসংস্থানেও। বিক্রি কমে যাওয়ায় আগের তুলনায় অনেকটাই কমিয়ে দিতে হয়েছে কর্মীর সংখ্যা। ফলে মোম তৈরির সঙ্গে যুক্ত বহু শ্রমিকের কাজের সুযোগও সংকুচিত হচ্ছে। বিশেষ করে দীপাবলির মতো বড় উৎসবের সময় যেখানে বাড়তি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়ার কথা, সেখানে উল্টো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে প্রস্তুতকারকদের।
এই পরিস্থিতিতে সরকারি অনুমোদন ছাড়া মোম উৎপাদন ও বিক্রির বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বৈধ মোম প্রস্তুতকারকরা। তাঁদের মতে, বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখা গেলে সরকারি নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলিও টিকে থাকার সুযোগ পাবে। দীপাবলির আগে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা।






