AGMC Seat Increased : রাজ্যের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর প্রসারে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হলো। আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজে (এজিএমসি) এমবিবিএস আসন সংখ্যা ১৫০ থেকে বাড়িয়ে ২৫০ করার সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করেছে। এর ফলে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই রাজ্যের চিকিৎসা শিক্ষায় আগ্রহী তরুণ-তরুণীদের জন্য এজিএমসিতে অতিরিক্ত ১০০টি নতুন আসন যুক্ত হচ্ছে।
এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এমবিবিএস আসন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত ত্রিপুরার যুবসমাজের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এর মাধ্যমে রাজ্যের মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা নিজ রাজ্যেই উন্নত চিকিৎসা শিক্ষার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি, আরও বেশি সংখ্যক চিকিৎসকের উপস্থিতি আগামী দিনে সমগ্র ত্রিপুরার স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থাকে বহুগুণে শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করে তুলবে।
ত্রিপুরায় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ও চিকিৎসা শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের ধারাবাহিক সহযোগিতার কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। রাজ্যের এই সাফল্য অর্জনে সার্বিক সমর্থন ও সহায়তার জন্য তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি. নাড্ডার প্রতি রাজ্যবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখযোগ্য যে, আসন সংখ্যা ২৫০-এ উন্নীত হওয়ার মাধ্যমে এজিএমসি এখন দেশের শীর্ষস্থানীয় এবং প্রিমিয়ার মেডিকেল কলেজগুলোর তালিকায় সগর্বে নিজের স্থান করে নিল। উল্লেখ্য, ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত সর্বোচ্চ ভর্তি সক্ষমতাই হলো ২৫০টি আসন। এতদিন পর্যন্ত দেশের হাতেগোনা কয়েকটি খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান—যেমন নয়াদিল্লির মৌলানা আজাদ মেডিকেল কলেজ, গুজরাটের বি. জে. মেডিকেল কলেজ, কর্ণাটকের বেঙ্গালুরু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, রাজস্থানের এসএমএস মেডিকেল কলেজ, তামিলনাড়ুর মাদ্রাজ মেডিকেল কলেজ এবং উত্তরপ্রদেশের কিং জর্জ’স মেডিকেল ইউনিভার্সিটি—এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত ছিল। এবার সেই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান পেল আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজও।
ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আজকের এই শক্তপোক্ত ও আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থাই আগামী দিনে একটি আরও সুস্থ, সবল এবং সমৃদ্ধশালী ত্রিপুরা গড়ে তুলতে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।






