ডবল ইঞ্জিনের সরকারের ডবল চমকে ভির্মি খাচ্ছে আম জনতা : ত্রিপুরায় ডবল ইঞ্জিন সরকারের ডবল ডবল চমক দেখছে রাজ্য বাসী। কখনো বিদ্যুৎ এর মাশুল বৃদ্ধি, কখনো কর বৃদ্ধি, আবার কখনো চাল ডাল চিনির মত নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি। উপার্জনের মাত্রা বিগত ৮ বছরের দাড়িয়ে আছে সেই একই তিমিরে। বরং , তথ্য বলছে উপার্জনের ক্ষেত্রে বর্তমানে ভাটা পড়েছে এই জনদরদি সরকারের আমলে।
সাম্প্রতিক কালে নিত্য প্রয়োজনীয় চাল ডাল চিনির মত দ্রব্যাদির অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি নতুন করে উদ্বেগ বারিয়েছে মদ্যবিত্তের মাঝে। চাপ পড়ছে স্বল্প আয়ের উপর নির্ভর করে জীবন নির্বাহ করে চলা ছোট্ট ত্রিপুরার লক্ষ লক্ষ সাধারন মানুষের উপর। কিন্তু সেই কষ্ট কি আদৌ বোঝে জনদরদি সরকার ? সেই প্রশ্ন তুলেই এই জলজ্যান্ত ইস্যু গুলিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় ডেপুটেশান হাতে নিয়ে দফতরে দফতরে হাজির হচ্ছেন বিরোধীরা।
শাসক বিজেপির ভাষায় , বিরোধিতা করার জন্যেই নাকি বাম, কংগ্রেস কিংবা অন্য রাজনৈতিক দলের সমর্থকেরা নানা সময় আন্দোলন মিছিল ডেপুটেশান – এ ধরনের কর্মসূচীর ডাক দিয়ে চলেছেন। কিন্তু যত সময় গড়াচ্ছে ততই যেন মানুষ বুঝতে পারছেন – এই বিরোধিতা কেবল বিরোধিতা নয়। বরং রাজ্যের সংখ্যা গরিষ্ঠ মধ্য বিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কষ্টের কথা ভেবে রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা কিছু ন্যায্য প্রশ্ন। যার জবাব দিতে গিয়ে প্রায়শই সাংবাদিক বৈঠকেই হিমশিম খাচ্ছেন মন্ত্রী সভার সদস্যরা।
রাজ্যের সাম্প্রতিক কালের সব চাইতে বড় জ্বলন্ত ইস্যু বিদ্যুৎ মাশুল নিয়েও প্রশ্ন তুলতেই বৈঠক ছেড়ে উঠে যেতে দেখা গেছে মন্ত্রী বাহাদুর কে। যদিও অবশেষে ভর্তুকি মুকুব করা নিয়ে রাজ্য সরকার গুরুত্বপুরন সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছে। কিন্তু সেখানেও ছেড়ে গেছে কিছু প্রশ্ন। ১৮৯ কোটি টাকার ভর্তুকির ১০০ কোটি সরকার বহন করলেও বাকি ৮৯ কোটি কার গর্দানে চাপানো হবে , সেই প্রশ্নের জবাব মেলেনি। ঠিক এভাবেই রাজ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি , জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি, বিভিন্ন খাতে কর বৃদ্ধি – যেন ৪৩ লক্ষ ত্রিপুরা বাসীর নিত্য দিন নাভিশ্বাস তুলছে। এই পরিবরতিত ত্রিপুরার প্রত্যাশা নিয়েই কি মানুষ চলো পাল্টাই এর শ্লোগান তুলেছিল ? রইল প্রশ্ন।






