Techno India University : টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি ত্রিপুরার এক মহিলা অধ্যাপিকার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগের পাহাড়। ইউনিভার্সিটির একাধিক পদে দায়িত্ব হাসিল করে ছাত্র ছাত্রীদের উপর চাপ বারানোর অভিযোগ ঐ অধ্যাপিকার বিরুদ্ধে । অভিযোগ টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির অন্তর্ভুক্ত স্কুল অফ ল কলেজে প্রতিনিয়ত রেগিং চলছে।
এই নিয়ে অধ্যাপিকা তথা এন্টি রেগিং কমিটির সদস্যা পেহেলি মজুমদার কে একাধিক বার অবগত করেও বিচার পায়নি ছাত্রেরা। উল্টে তাদের কেই নাকি হুমকি ধমকি দেন অধ্যাপিকা।
ইউনিভার্সিটির ল বিভাগের সহকারি অধ্যাপিকা পহেলি মজুমদারের হাতে রয়েছে একাধিক পদ। এন্টি রেগিং কমিটি, মহিলা হোস্টেল ওয়ার্ডেন, এসটি এস সি ওবিসি সেল, আরটিও অফিসার, পরীক্ষা পরিচালন কমিটির মত গুরুত্বপূর্ণ পদ গুলোর ক্ষমতার জেরেই নাকি শিক্ষার্থীদের সাথে যেমন খুশি তেমন আচরন করেন ঐ অধ্যাপিকা।
এই নিয়ে কিছুদিন পূর্বেই একবার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পরে। অতঃপর সাংবাদিক বৈঠকে ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ কে এই নিয়ে প্রশ্ন করলেই তারা এড়িয়ে যান।
এদিকে ঐ অধ্যাপিকা পেহেলি মজুমদারের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কে বহুবার জানালেও কোনো পদক্ষেপ গৃহীত না হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
সহকারি অধ্যাপিকা পেহেলি মজুমদার কে পরীক্ষার প্রশ্ন পত্রের মডারেশানের ও দায়িত্ব দিয়ে রাখা হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন পত্র ফাঁস করে দেবার মত ঘটনার সাথেও উনার যোগ থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন ছাত্র ছাত্রীরা। ডিন অফ ল R. K. Mishra নাকি উনাকে এই পদে বহাল রেখেছেন।
এদিকে পেহেলি ম্যাডামের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ চরমে পৌঁছালেও কেন আজ অব্দি উনার বিরুদ্ধে কোনো এক্সান নেওয়া হল না সেই নিয়ে তীব্র অসন্তোষ এর জেরে নিরুপায় হয়ে সংবাদ মাধ্যম কে সব ঘটনা বিস্তারিত জানালেন শিক্ষার্থীরা।
এর পরেও যদি উক্ত অধ্যাপিকার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেয় তবে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী কিশোর বর্মণ এবং মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসার ডঃ মানিক সাহার দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন তারা ।
এদিকে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে অধ্যাপিকা কে ফোন করা হলে উনি এই নিয়ে ব্যক্তিগত ভাবে কোনো স্পষ্টীকরণ দিতে রাজি হন নি।
এখন দেখার বিষয় টেকনো ইন্ডিয়া তে চলমান এই অরাজকতা বন্ধে কি ভূমিকা নেয় কর্তৃপক্ষ কিংবা উচ্চ শিক্ষা দপ্তর।



