Unakoti District Hospital News : হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে রোগীর বাবার নামই বদলে গেল! পাইতুরবাজারের বাসিন্দা স্বপন পালের অভিযোগ, কৈলাসহর ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় তাঁর বাবার নাম ‘মানিক পাল’-এর পরিবর্তে লেখা হয়েছে ‘মানিক আলী’। বিষয়টি সামনে আসতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বপন পাল ও তাঁর পরিবার। তাঁদের দাবি, এমন ভুল তাঁদের পারিবারিক সম্মানে আঘাত করেছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৩ অক্টোবর রাতে। পেটের সমস্যায় ভুগতে থাকায় স্বপন পাল ভর্তি হন কৈলাসহর ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে। অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তির সময় তৈরি করা নথিতে তাঁর বাবার নাম ভুলভাবে নথিভুক্ত করা হয়। অর্থাৎ, রোগীর শারীরিক সমস্যার চিকিৎসা চললেও কাগজপত্রে বাবার নাম নিয়ে তৈরি হয় নতুন সমস্যা!
স্বপন পালের দাবি, ২৫ অক্টোবর সকালে চিকিৎসকের পরিদর্শনের সময় বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। নিজের বাবার নামের এমন পরিবর্তন দেখে স্বাভাবিকভাবেই অবাক হয়ে যান তিনি। তবে ঘটনায় আরও একটি আকর্ষণীয় মোড় আসে ওই দিন বিকেলে। হাসপাতাল থেকে ছুটির কাগজ হাতে পেয়ে দেখা যায়, সেখানে বাবার নাম আবার ঠিকঠাক ‘মানিক পাল’ লেখা হয়েছে।
অর্থাৎ, একই হাসপাতালে একই রোগীর বাবার নাম একবার ‘মানিক আলী’, আবার অন্য নথিতে ‘মানিক পাল’! কাগজপত্রের এই নামবদল কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। অবশ্য ঘটনাটি নিছক নথিভুক্তির ভুল, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
স্বপন পালের অভিযোগ, এই ভুলের কারণে তাঁর পরিবারের সম্মানে আঘাত লেগেছে। তাঁর বাবাও বিষয়টি শুনে মর্মাহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট (এমএস) এবং চিফ মেডিক্যাল অফিসারের (সিএমও) কাছে লিখিত অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্বপন পাল ও তাঁর পরিবার।
এখন প্রশ্ন, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রোগীর পরিচয়সংক্রান্ত নথিতে এমন ভুল কীভাবে হল? আর ভুলটি যদি হয়ে থাকে, তবে তার দায় কার? বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখনও জানা যায়নি। তাই অভিযোগের সত্যতা ও ভুলের কারণ জানতে কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যার অপেক্ষা থাকছে।






