খবরে প্রতিবাদ

খবরে প্রতিবাদ

Tuesday, 27 October 2026 - 05:00 AM
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ - ০৫:০০ পূর্বাহ্ণ

Sushanta Chowdhury : রাজ্যের সব রেশন দোকানে সুজি ,ময়দা পৌঁছে গেছে,দাবি খাদ্যমন্ত্রীর

Sushanta Chowdhury
1 minute read

Sushanta Chowdhury : ​রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সম্প্রতি সমস্ত মহকুমা শাসকদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। এই বৈঠকের পর রাজ্যের রেশন ব্যবস্থা এবং উৎসবের মরসুমে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ নিয়ে স্পষ্ট ও বার্তা দিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছেন , রাজ্যের প্রতিটি রেশন শপে ইতোমধ্যে সুজি ও ময়দা পৌঁছে গেছে এবং খুব শীঘ্রই অর্থাৎ আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে চিনিও পৌঁছে যাবে। ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নভেম্বর মাস পর্যন্ত সময়সীমা থাকলেও, কালীপূজার আগেই যাতে রাজ্যের প্রতিটি উপভোক্তা এই সুবিধার সুযোগ সম্পূর্ণভাবে লাভ করতে পারেন, সে বিষয়ে রাজ্য সরকার ও প্রশাসন অত্যন্ত তৎপর রয়েছে।


​ মন্ত্রী ক্ষোভের সঙ্গে উল্লেখ করেছেন , বর্তমান সময়ে এক শ্রেণির মানুষ বা রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহল কোনো ইস্যু না পেয়েও অহেতুক এই গণ বন্টনের বিষয়কে বিকৃত করে সামাজিক মাধ্যমে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে। এমনকি সরকারি পেজ বা কার্টুন বানিয়ে দপ্তরের মন্ত্রীদের ব্যক্তিগত আক্রমণ বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তবে এই ধরনের কুৎসা ও অপপ্রচারে কান না দিয়ে তিনি জনসাধারণকে বাস্তব পরিস্থিতি অনুধাবন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন , অতীতে কার কী মানসিকতা বা ভূমিকা ছিল তা সকলেরই জানা আছে, কিন্তু বর্তমান সরকার জনকল্যাণমূলক কাজ সরাসরি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে।


​বৈঠকে প্রাপ্ত ফিডব্যাক অনুযায়ী, রাজ্যের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ উপভোক্তার কাছে লিফটিংয়ের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তের রেশন দোকানে সুজি ও ময়দা বন্টন নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, চিনির গাড়ি ট্রানজিটে থাকায় সমস্ত মানুষের কাছে একসাথে তা পৌঁছানো সম্ভব নয়, তবে আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে রাজ্যের ৯ লক্ষ ৯২ হাজার রেশন কার্ড হোল্ডার এবং সমস্ত প্রায়োরিটি গ্রুপ বা বিপিএল ও অন্ত্যোদয় উপভোক্তাদের হাতে সুনির্দিষ্ট পরিমাণে চিনি, ময়দা ও সুজি তুলে দেওয়া হবে। বিশেষ করে, বিপিএল ও অগ্রাধিকার প্রাপ্ত উপভোক্তারা ৫০০ গ্রাম সুজি, ১ কেজি চিনি এবং ২ কেজি ময়দা পাবেন, যেখানে এপিএল কার্ডধারীরা সুজি না পেলেও নির্দেশিকা অনুযায়ী অন্যান্য সামগ্রী পাবেন। ​পরিশেষে, খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই সমস্ত সত্য তথ্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরার অনুরোধ জানিয়েছেন, যাতে কোনো কুচক্রীমহল সাধারণ মানুষের মনে কোনো প্রকার বিভ্রান্তি বা ভুল ধারণা তৈরি করতে না পারে। উৎসবের আগে সরকারের এই জনমুখী পদক্ষেপ রাজ্যের সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে এবং সমস্ত বিভ্রান্তির অবসান ঘটাবে বলেই তিনি জোরালোভাবে দাবি করেন।

For All Latest Updates

খাস খবর