Sonamura Congres Protest : দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার পাশাপাশি ‘ভোট চুরি’র প্রতিবাদে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের গ্রেপ্তার ও পদত্যাগের দাবিতে সিপাহীজলা জেলার সোনামুড়ায় বিক্ষোভ মিছিল করল জেলা কংগ্রেস। মঙ্গলবার সোনামুড়া জেলা কংগ্রেসের উদ্যোগে এই কর্মসূচিকে ঘিরে মহকুমা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।
এদিন জেলা কংগ্রেস ভবনের সামনে থেকে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা মিছিল শুরু করেন। ‘ভোট চোর, গদি চোর’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে তাঁরা সোনামুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করেন। পরে মিছিলটি সোনামুড়া মহকুমা শাসকের কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে পুলিশি ব্যারিকেডের মুখোমুখি হন আন্দোলনকারীরা।
কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা পুলিশের তিনটি ব্যারিকেড ভেঙে মহকুমা শাসকের কার্যালয় চত্বরে প্রবেশের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এরপর সোনামুড়া নেতাজি চৌমুহনী এলাকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুতুল দাহ করা হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েকজন কংগ্রেস কর্মী-সমর্থককে আটক করে। পরে তাঁদের সোনামুড়া টাউন হলে অস্থায়ীভাবে রাখা হয় বলে জানা যায়।
কর্মসূচি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ত্রিপুরা প্রদেশ NSUI সভাপতি আমির হোসেন অভিযোগ করেন, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সংকটের মধ্যে রয়েছে। তাঁর দাবি, বিজেপি সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যোগসাজশের মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত কংগ্রেসের আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।
জেলা কংগ্রেস সভাপতি রোশন আলী বলেন, সোনামুড়ায় কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে, তাতে আগামী দিনে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে। গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে কংগ্রেস কর্মীরা ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলেও জানান তিনি। তাঁর দাবি, এদিন আন্দোলনের সময় কংগ্রেস কর্মীরা পুলিশের তিনটি ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি রোশন আলী, প্রাক্তন জেলা কংগ্রেস সভাপতি দীপক চক্রবর্তী, জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হাবিল মিয়া, ব্লক কংগ্রেস সভাপতি জসিম উদ্দিন-সহ অন্যান্য কংগ্রেস নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা।






