শাসকের রক্ত চক্ষুর শিকার সিপিআইএম এর যোগেন্দ্র নগর স্থিত পার্টি অফিস : ত্রিপুরা বিজেপি কি চোখে সরষে ফুল দেখছে ? সিপিআইএম কে এত ভয় – যে লোক লেলিয়ে দিয়ে নিরন্তর পার্টি অফিস ভাঙচুর করছে ? প্রশ্ন গুলো তুলছেন ত্রিপুরার দীর্ঘ কালীন সরকার পরিচালনার পর বর্তমানে প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসা বামেরা। ২০১৮ সালে সরকার বদলের পর অজস্র পার্টি অফিস ভাঙচুর, মানুষের বাড়ি ঘরে হামলা হুজ্জুতির ঘটনা ঘটেছে। ২০২৩ এর পরেও একই ধারা অব্যাহত থাকে। যদিও মাঝে কিছুটা সময় তেমন বড় ধরনের উত্তেজনা পূর্ণ ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু আবারো সেই পুরনো ধারা যেন জারি করা হয়েছে।
২৪শে আগস্ট সোমবার, ১৩ প্রতাপগড় বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত যোগেন্দ্র নগর স্থিত বিদ্যাসাগর বাজার এলাকায় গড়ে উঠা বহু পুরনো সিপিআইএম এর পার্টি অফিসে আচমকা হামলা হুজ্জুতি চলে। সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ টা নাগাদ, বিজেপির একটি রেলি ঐ রাস্তা দিয়ে অতিক্রম হবার সময় আচমকাই ৭০ থেকে ৮০ জন মিছিল থেকে সোজা পার্টি অফিসের দিকে ঢুকে হামলা চালায় বলে অভিযোগ।
পার্টি অফিসের ভেতরে ও বাইরে থাকা সিসি টিভি ক্যামেরা ভাঙচুর সহ, ভেতরের আসবাব পত্র , দরজা জানালা সমস্ত কিছু ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে নৃশংস ভাবে। এমনকি দুটি বাইক ও ভেঙ্গে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ততসঙ্গে কিছু কাজগ পত্রে কেরোসিন ঢেলে অগ্নি সংযোগ করার ও চেষ্টা চালানো হয়। যদিও শেষ মুহূর্তে রক্ষা করা যায়।
ঘটনার পরপরই ছুটে আসেন স্থানীয় বাম কর্মীরা। তারা আরও অভিযোগ করেছেন , এই গোটা ঘটনায় বাজারের ব্যবসায়ীরা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মদত জুগিয়েছেন যা কিনা অত্যন্ত নিন্দনীয় বিষয়। বিদ্যাসাগর বাজার কে কলুষিত করার অপ চেষ্টা করছেন খোদ ব্যবসায়ীরাই, এমনটাই উক্তি করেছেন বাম নেত্রী নিলাঞ্জনা রায়।
উল্লেখ্য, বিগত দুদিন যাবত ১৩ প্রতাপগরের বাম বিধায়ক রামু দাসের বেশ কিছু উন্নয়ন মূলক কাজের ফলক তুলে ফেলে দেওয়া এবং রাস্তা সংস্কারের কাজের খবরা খবর রাজ্যের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় চাউর হয়। ঠিক তার পরেই এই ঘটনা প্রশ্ন তুলছে, তবে কি প্রতিহিংসা মূলক ভাবেই এই ঘটনা ? বিরোধী দের কি আসলেই নিশ্চিহ্ন করে দেবার চক্রান্ত চালানো হচ্ছে ?
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বভাবতই রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়েছে। এখন দেখার এই ঘটনা নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।






