Tripura Traffic Rules : খাকী ওয়রদি পরেন, বাইকে ত্রিপুরা পুলিশের লোগো লাগিয়েছেন ? তাহলেই চলবে। হেলমেট না পরলেও ট্র্যাফিক বাবুরা আপনাদের কথাই বলবে। নিয়ম তো শুধুই সাধারন নাগরিকের জন্যে বাঁধা, বিনা হেলমেটে ঘুরে বেড়ান পুলিশ বাবু আর কিছু বড় বড় দাদা।
ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা তথা স্মার্ট সিটি আগরতলার বুকে চারিদিকে শুধুই ডিজিট্যাল ক্যামেরা লাগানো। কারো সাহস নেই যে বিনা হেলমেটে বাইক বা স্কুটি চালাবে বা ফাইন না দিয়েই পাড় পেয়ে যাবে। কেবল কিছু লোক বাদে। তাদের মাঝে আছেন একাংশ রাজনৈতিক দলীয় লোগো কিংবা ফ্ল্যাগ লাগানো দাদারা এবং একাংশ ত্রিপুরা পুলিশ।
বিশেষ করে আমতলী কুড়ি পুকুর পেরিয়ে গেলেই হেলমেট পরার তোড়জোড় কমে যায় বাইক স্কুটি চালক দের। কারণ সেখানে ডিজিট্যালি ফাইন আদায় করবে এমন সিসি ক্যামেরা বসানো নেই। আর একাংশ রয়েছেন যারা শহরের বুকেও শত শত ক্যামেরা কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেদার হেলমেট ছারাই ঘুরছেন। তাদের কেউ কেউ রাজনীতি করেন কেউ কেউ খাকী পরেন।
ত্রিপুরা পুলিশের লোগো লাগিয়ে দেদার হেলমেট ছারাই মোটর সাইকেল নিয়ে ছুটছেন এক আরোহি। না কোনো ডিজিটাল ফাইনের ভয় না কোনো আইনের তুয়াক্কা। মঙ্গলবার দুপুরে মনের আনন্দে আমতলী এলাকায় জাতীয় সড়ক দিয়ে পুলিশের এই মোটরবাইকটি চলাকালীন বিষয়টি ক্যামেরা বন্দী করেন একাংশ সচেতন নাগরিক।।
এবার প্রশ্ন, তবে পুলিশের বেলায় কি ট্রাফিকদপ্তর আলাদা করে নিয়ম বানিয়েছে ? একজন সাধারন পাবলিক যদি এভাবে বিনা হেলমেটে ঘুরে বেড়াতো তাদের ও কি এভাবে ছাড় দিতো সাদা নিল পোশাকি ট্র্যাফিক বাবুরা ? যদি না হয় তবে ত্রিপুরা পুলিশ এর একাংশ দের বেলায় নিয়মের খেলাফ কেন ? শুধু কি পুলিশ, বিনা হেলমেটে শহরের বুকে গতিশীল এমন প্রত্যেক চালকের বিরুদ্ধেই কেন কোনো পদক্ষেপ নেয়না ট্র্যাফিক বিভাগ ? গোপন চুক্তি আছে নাকি, না নিয়মাবলী তে হয়েছে কোনো নতুন সংশোধন ? জানতে চাইছেন এ রাজ্যের আপনার আমার মতই কিছু দ্বিচক্রি বাহন চালক ও সাধারন জনগন।



