Barobil Panchayat News : সুইপারের ন্যায্য মজুরি আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এক পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বারবিল পঞ্চায়েত এলাকায়, আর ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগকারী দীপক মোদক জানান, তাকে দিয়ে পানীয় জলের ট্যাংকির মুখ লাগানো, টয়লেট ও বাথরুম পরিষ্কারের মতো কঠিন কাজ করানো হয়। তার দাবি, কাজের জন্য তিনি ৬০০ টাকা মজুরি চেয়েছিলেন। কিন্তু কাজ শেষে তাকে মাত্র ২০০ টাকা দেওয়া হয়।
দীপকের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত সদস্য সুমেন শাহ ওই কাজের জন্য পঞ্চায়েত থেকে প্রায় ১২০০ টাকা তুললেও তার প্রাপ্য মজুরি দেননি। এমনকি, কাজ না করলে হেনস্তার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি তার।
অন্যদিকে, পঞ্চায়েতের এক সরকারি কর্মী জানিয়েছেন, দীপককে কাজের জন্য ৪০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। যদিও এই বক্তব্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন দীপক। তার স্পষ্ট দাবি—তিনি মাত্র ২০০ টাকাই পেয়েছেন।
এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—একজন গরিব শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিয়েও যদি দুর্নীতি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
সাংবাদিকদের সামনে দীপক মোদক বলেন, “আমি গরিব মানুষ, আমি শুধু আমার পরিশ্রমের সঠিক টাকা চাই।”
এখন দেখার বিষয়, এই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।



