Kanchanmala Vivek Alok School : অভিভাবকের সাথে বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপালের ব্যাক্তিগত শত্রুতার খেসারত দিতে হলো স্কুল পড়ুয়া এক শিশুকে। শিভম ভট্টাচার্য পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র। প্রতি বছর বার্ষিক পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে। এবছরও শিভমের তদরুপ আশাই ছিলো।
কিন্তু ৩০মার্চ সোমবার বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয় তাতে দেখা যায় সে ক্লাসের তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে । ঘটনা গোলাঘাটি বিধানসভার অন্তর্গত কাঞ্চন মালা গ্রাম পঞ্চায়েত সংলগ্ন বিবেক আলোক শিশু তীর্থ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের । অভিযোগ স্কুল পড়ুয়া শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ।
শিভম ভট্টাচার্য একই এলাকার রাজিব ভট্টাচার্য এর ছেলে । সে ক্লাসের তৃতীয় স্থান অধিকার করায় তার অভিভাবকদের মনে সন্দেহ জাগে । আর তখনই তারা স্কুলে এসে সব কিছু খতিয়ে দেখার পর আসল রহস্য উদঘাটন হয় বলে জানান শিবমের পিতা রাজিব ভট্টাচার্য । তিনি সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখী হয়ে জানান , উনার ছেলে সর্বমোট নম্বর পেয়েছিল ৬৫১.৫ আর সেই জায়গায় তার মার্কশিটে দেওয়া হয় ৫৮৮.৫ ।
মার্কশিটের এই কারচুপি ধরা পড়ার পর স্কুলের প্রিন্সিপাল শ্রীফল শীল আমতা আমতা করতে থাকে এবং তাদের ভুল স্বীকার করে তা পরবর্তীতে ঠিক করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। রাজিব ভট্টাচার্য বলেন বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপালের সাথে উনার কিছু ব্যাক্তিগত সমস্যা রয়েছে । কিন্তু সেই কারনে তো উনার ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পারেন না ।
ছেলের মার্কশিট নিয়ে কারচুপির ঘটনায় রাজিব ভট্টাচার্য সুবিচার দাবী করেছেন প্রশাসনের কাছে। ফলাফল কারচুপির ঘটনায় শিভম ভট্টাচার্যের অভিভাবকরা সহ এলাকার অন্যান্য অভিভাবকরা ক্ষুব্দ হয়ে প্রতিবাদ করতে থাকে।জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে এই বেসরকারি স্কুলটি সরকারি খাস জায়গায় অবৈধভাবে বেদখল করে স্কুল পরিচালনা করছে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছে স্কুলের প্রিন্সিপাল শ্রীফল শীল। তবে সোমবারের ঘটনার পর আগামী দিনে এই বেসরকারি স্কুলে এলাকার ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি করাবেন কিনা তা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ অভিভাবক মহলে ।



