জয়নগরের রেশন দোকানে নিম্নমানের ডাল সরবরাহ, সরব দপ্তরের মন্ত্রী : জয়নগর এলাকার ৬ নম্বর রেশন দোকানে শুক্রবার মুশুর ডাল সরবরাহ কে ঘিরে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠে, সরবরাহ কৃত ডালের ৬ টি বস্তার মধ্যে ২ টি বস্তাতেই ছিল অস্বাস্থ্যকর ছত্রাক যুক্ত ডাল। যা দেখে চক্ষু চড়ক গাছ রেশন ডিলারের।
সাথে সাথেই নিম্নমানের ডাল সরবরাহের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রেশন ডিলার ও স্থানীয় গ্রাহকরা।
রেশন ডিলারের অভিযোগ, রেশন সামগ্রী বাহী গাড়ি থেকে ডাল নামানোর সময়ই তিনি লক্ষ্য করেন যে সরবরাহ করা ডালের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। তাঁর দাবি, ডালগুলির গুণগত মান এতটাই খা
রাপ যে সেগুলি খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত বলে মনে হয়েছে। মানুষ তো দূর, পশু পাখি অব্দি এই ডাল খাদ্য হিসেবে গ্রহন করতে পারবে না।
এ ধরনের খাদ্যসামগ্রী কীভাবে সরকারি রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে দোকানে পৌঁছাল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় রেশন গ্রাহকদের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা দেয়। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে নিম্নমানের খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে ভবিষ্যতে মানসম্পন্ন খাদ্যশস্য সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
স্থানীয়দের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ডালের গুণগত মান পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থায় কোথায় ত্রুটি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পরতেই খাদ্য মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষিত হয়। তৎক্ষণাৎ উনি বিষয়টি খাদ্য দপ্তরের ডাইরেক্টরের গোচরে নেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। অতঃপর মন্ত্রী গোটা বিষয়ে নিজ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জানান, বর্ষা কালে গোদামে মজুদ কৃত চাল ডালে অনেক সময় আর্দ্রতার কারণে এধরণের ছত্রাক জমে খাদ্য সামগ্রী নষ্ট হয়। তবে জয়নগরের রেশনে যে বস্তা গুলি পৌঁছেছে তা ভুল বশত হতে পারে । অনতিবিলম্বে সেই বস্তা দুটি বদলে ভাল ডাল সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।



