খবরে প্রতিবাদ

খবরে প্রতিবাদ

Sunday, 9 August 2026 - 04:36 PM
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬ - ০৪:৩৬ অপরাহ্ণ

স্মার্ট মিটার সোলার প্যানেল বসিয়েও বাড়তি বিল, ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নাজেহাল অবস্থা

স্মার্ট মিটার সোলার প্যানেল বসিয়েও বাড়তি বিল, ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নাজেহাল অবস্থা
1 minute read

স্মার্ট মিটার সোলার প্যানেল বসিয়েও বাড়তি বিল, ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নাজেহাল অবস্থা : ত্রিপুরায় বর্তমানে সব চাইতে আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে বিদ্যুতের স্মার্ট মিটার ও বর্ধিত বিদ্যুৎ মাশুল। আগে যেখানে মাসিক ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল দিতেন সাধারন গ্রাহকেরা আজ তাদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে হাজার হাজার টাকার বিল। বিশেষ করে যে সমস্ত গ্রাহকের বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসানো হয়েছে তারা মাসিক বিদ্যুৎ বিল দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন এমনটাই অভিযোগ উঠে আসছে দিকে দিকে।

এবার বিদ্যুতের স্মার্ট মিটারের পাশাপাশি সোলার প্যানেল নিয়েও এক গুচ্ছ অভিযোগ উঠে আসছে। বিদ্যুৎ এর মাশুল যাতে কম দিতে হয় সেদিকে নজর রেখে সোলার প্যানেল বসানোর কথা বলছে সরকার। সরকারি ভাবে পিএম সূর্য ঘর যোজনার ও সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু তাতেও গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল কোনো মতেই কমছে না। উল্টে আরও বেশি পরিমাণে বিল দিতে হচ্ছে।

এমনি অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ মাধ্যম কে নিজেদের ভোগান্তির কথা জানালেন খোয়াই মহকুমার অন্তর্গত চেবরী পেত্নী ছড়া এলাকার সীমা দেবনাথ নামে এক গ্রাহক। ঘটনার বিবরণে জানা যায় খোয়াই মহকুমার বাসিন্দা সীমা দেবনাথ বিদ্যুতের বিভিন্ন সমস্যার কারণে সরকারের সূর্য ঘর প্রকল্পের অধীন তিন কিলোওয়াট বিশিষ্ট একটি সোলার প্যানেল তার বাড়িতে বসিয়েছেন।

সোলার প্যানেল বসানোর সময় একই সঙ্গে তাদের ঘরে স্মার্ট মিটার বসানো হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের তরফে । আশা ছিল এবার হয়তো বিদ্যুৎ বিল কিছুটা কম আসবে। কিন্তু গ্রাহকের অভিযোগ স্মার্ট মিটার বসানোর আগে বিদ্যুতের বিল আসতো প্রতিমাসে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা । কিন্তু বর্তমানে বিল আসছে প্রতি মাসে তিন থেকে চার হাজার টাকা।

গ্রাহক সীমা দেবনাথ আরও অভিযোগ করেন যে , সরকার বলেছিল সোলার প্যানেল লাগালে বিদ্যুৎ গ্রাহকের যতটুক প্রয়োজন তার উপরন্ত যে বিদ্যুৎ সঞ্চয় হবে তা সরকার নিয়ে নেবে এবং তার পরিবর্তে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে সেই টাকা ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করা হবে । কিন্তু দেখা যাচ্ছে সরকারের ভর্তুকির টাকা দেওয়া তো বহুদুর উল্টে গ্রাহক কেই ১০ গুন বেশি বিল প্রদান করতে হচ্ছে।

বিদ্যুৎ নিগমের এহেন কাণ্ড কারখানায় ঘুম উড়েছে গ্রাহকদের। সীমা দেবীর অভিযোগ বাড়িতে নুন্যতম লাইট ফ্যান চালিয়েই মাসে ৪ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল কিভাবে আসে ? এই সমস্যার কথা ৪-৫ বার কর্তৃপক্ষ কে জানিয়েছেন তারা। কিন্তু কর্তৃপক্ষ নাকি কোনো মতেই সাড়া দিচ্ছেন না। যার ফলে তীব্র ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের।

কেবল খোয়াই নয়, রাজ্যের বহু মহকুমা , জেলা থেকে এই একই ধরনের অভিযোগ উঠে আসছে। বিরোধী শিবির ও বিদ্যুৎ নিগম , বিদ্যুৎ মন্ত্রী এবং রাজ্য সরকার কে এই নিয়ে তীব্র ভাষায় তুলোধোনা করেছেন। কিন্তু এখন অব্দি বিদ্যুৎ গ্রাহকদের এই সমস্যা নিরসনে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি সরকার কে।

For All Latest Updates

খাস খবর