DYFI Press Meet : DYFI প্রতিষ্ঠা দিবসকে সামনে রেখে আগামী পয়লা নভেম্বর থেকে 3রা নভেম্বর অব্দি বই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে আগরতলা ছাত্র যুব ভবনে। সকাল 11 ঘটিকায় পহেলা নভেম্বর অধ্যাপিকা আলপনা সেনগুপ্তের হাত ধরে এই বই উৎসব এর শুভারম্ভ হবে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সন্মেলন করে জানিয়েছেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দেব এবং সভাপতি পলাশ ভৌমিক।
পরিশেষে পুজোর সময় বিভিন্ন স্থানে ছাত্র যুবাদের যে অস্থায়ী স্টল দেওয়া হয় সেগুলি ভেঙ্গে দেবার বিষয় নিয়ে তীব্রভাবে সমালোচনা করেন তিনি। উল্লেখ্য দুর্গা পুজোর দিন গুলিতে রাজধানীর মেলার মাঠ, ওরিয়েন্ট চৌমুহনী, সহ একাধিক স্থানে অস্থায়ী বই এর স্টল দিয়েছিল বামপন্থী ছাত্র যুবারা। কিন্তু এই অস্থায়ী স্টল গুলি বেআইনি ভাবে এবং পুরো নিগমের অনুমতি ছাড়া দেবার অভিযোগ তুলে সেগুলো কে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয় পুরো নিগমের পক্ষ থেকে। কেবলমাত্র মেলার মাঠ এর একটি আউট লেট খোলা রাখা যায়।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সময়ে উৎসব মুখর অবস্থায় আন্দোলন করা সম্ভব পর হয়ে উঠেনি। কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা কেবল মাত্র মিছিল করা নয়। এছাড়া ও নানাভাবে প্রতিবাদ করা যায়। তাই আগামী কাল থেকে ৩রা নভেম্বর অব্দি বই মেলার আয়োজন করছেন ছাত্র যুবারা।
সেদিনের ঘটনার তীব্রভাবে নিন্দা জানিয়ে নবারুন দে রাজ্য সরকার ও পুরো নিগমের সমালোচনায় মুখর হন এদিন। তারা বইয়ের পক্ষে না , ড্রাগস হিরোইন নেশা কারবারি এবং তোলাবাজির পক্ষে- এভাবেই আরএসএস পরিচালিত বিজেপি কে বিঁধলেন তিনি।
এছাড়াও রাজ্য সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে উনি বলেন, বিজেপি যখন বামপন্থী কোনো নেতা কে জ্ঞান দেয় সেটা সম্পূর্ণ ভাবে আশ্চর্যের বিষয়। প্রসঙ্গ টেনে বুধবার রাজ্যের অর্ধ কালের মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব যে সাংবাদিক বৈঠক করেন সেই নিয়ে কটাক্ষ করে নবারুন দে র প্রশ্ন, বামপন্থী দের বিষয়ে বলার আগে উনি জবাব দিন যে উনাকে কেন সরিয়ে দেওয়া হল। সেই প্রশ্নের জবাব আজো খুঁজে পাননি মানুষ।
ত্রিপুরার ইতিহাসে এমন নজির বিহীন ঘটনা এর আগে ঘটেনি। আগে উনি এই প্রশ্নের জবাব দিন। তাঁর পর উনি অশালীন শালীন ভাষা জ্ঞান নিয়ে উনার বক্তব্য শোনা হবে। নিজের ঘর থেকে আগে শেখা উচিৎ। আগে নিজের ঘর, নিজের পারিবারিক অবস্থান কি সেটা ভেবে তাঁর পর অন্যকে জ্ঞান দেওয়া উচিৎ। এভাবেই এদিন বিপ্লব কুমার দেব কে রীতিমতো স্পষ্ট ভাষায় কটাক্ষ করতে শোনা গেল নবারুন দে কে।



