স্মার্ট মিটার ও বিদ্যুৎ বিলের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ গ্রাহক, উগড়ে দিচ্ছেন ক্ষোভ : স্মার্ট মিটার এবং অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের যন্ত্রণায় বিদ্যুৎ মন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছেন ত্রিপুরার আম জনতা। ত্রিপুরা রাজ্যে ক্রমাগত আম জনতার নাভিস্বাস তুলছে স্মার্ট মিটার নামক ভূত। হ্যাঁ, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার এবং রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথের দৌলতে দিকে দিকে স্মার্ট মিটারের জাতাকলে পিষ্ট হচ্ছে সাধারন মানুষ।
ভুতুরে এই স্মার্ট মিটারের দৌলতে কোনো ভোক্তার নামে মাসিক বিল আসছে লক্ষাধিক টাকা। যা দেখে রীতিমত ভিরমি খেতে হবে যে কাউকে। বিগত কিছু দিন যাবত পুনরায় এই স্মার্ট মিটার নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জন আক্রোশ দেখা দিয়েছে। এবার এই স্মার্ট মিটার লাগাতে গিয়েই জন বিক্ষোভের মুখে পরেছেন বিদ্যুৎ নিগমের কর্মীরা।
এয়ারপোর্ট থানাধীন নব গ্রামে শুক্রবার এক গ্রাহকের বাড়িতে জোরপূর্বক ১২ থেকে ১৩ জন বিদ্যুৎ কর্মী ঢুকে পরে নাকি স্মার্ট মিটার বসিয়ে দিয়ে যান। আর তাতে তীব্র আপত্তি জাহির করতেই বিদ্যুৎ কর্মীদের সাথে বচসা বাধে গৃহকর্তার।
স্মার্ট মিটার লাগানো নিয়ে আপত্তি জাহির করা সত্বেও এদিন যখন জোরপূর্বক বিদ্যুৎ নিগমের কর্মীরা মিটার বসিয়ে যান তখনি ক্ষোভে ফেটে পরেন গৃহকর্তা। অবশেষে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে পালাতে থাকেন কর্মীরা। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে যান পুলিশ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ নিগমের কোথাও স্মার্ট মিটার বসানো বাধ্যতামুলক এধরণের নির্দেশিকা নেই। খোদ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ নিজেও এই কথা একাধিক বার শিকার করেছেন। তার পরেও কেন গ্রাহকের ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোর পূর্বক স্মার্ট মিটার বসানো হচ্ছে ?
রাজ্য ব্যাপী বহু গ্রাহক স্মার্ট মিটারের দৌলতে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠে আসা সত্বেও কেন দপ্তর ও দপ্তরের দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই নিয়ে কোণ জবাবদিহিতা নেই ? ত্রিপুরায় বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উতপাদিত হওয়া সত্বেও অধিকা মুল্যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হচ্ছে কেন এই রাজ্যের গ্রাহক দের ? প্রশ্ন উঠছে বারবার।



