Laxmi Puja 2026 : আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। ধন-সম্পদ, সুখ-সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের কামনায় দেবী লক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে উঠেছেন রাজ্যের মানুষ। প্রতি বছরের মতো এবারও ত্রিপুরার বিভিন্ন প্রান্তে ঘটা করে লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন করা হয়েছে। ঘরে ঘরে পুজোর প্রস্তুতি, বাজারে কেনাকাটার ব্যস্ততা এবং উৎসবের আবহে ইতিমধ্যেই মুখরিত হয়ে উঠেছে চারপাশ।
লক্ষ্মীপুজোকে কেন্দ্র করে গতকাল থেকেই বিভিন্ন বাজারে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। পুজোর উপকরণ, ফলমূল, ফুল, মিষ্টি, ধূপকাঠি এবং অন্যান্য সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত ছিলেন সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি লক্ষ্মীপ্রতিমা কেনার জন্যও বিভিন্ন মৃৎশিল্পীর দোকানে ভিড় জমে। তবে এবারে বাজারে লক্ষ্মীপ্রতিমার দাম কিছুটা বেশি বলে জানিয়েছেন ক্রেতাদের একাংশ। মূল্যবৃদ্ধির কারণে কারও কারও বাজেটে টান পড়লেও উৎসবের আনন্দে তার প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করছেন অনেকে।
বাঙালির ঘরে ঘরে লক্ষ্মীপুজো একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করলে সংসারে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে। সেই বিশ্বাসকে সামনে রেখেই বহু পরিবারে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। বাড়িঘর পরিষ্কার করা, আলপনা আঁকা, পুজোর আসন সাজানো এবং নৈবেদ্য প্রস্তুত করার মধ্য দিয়ে দিনভর চলেছে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা।
আজ সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন বাড়িতে শুরু হবে দেবী লক্ষ্মীর পুজো। কোথাও পারিবারিকভাবে, আবার কোথাও প্রতিবেশীদের সঙ্গে মিলেমিশে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। পুজোকে ঘিরে শিশু থেকে প্রবীণ—সবার মধ্যেই রয়েছে উৎসাহ ও উদ্দীপনা।
প্রতিমার দাম কিছুটা বাড়লেও মানুষের বিশ্বাস, ভক্তি ও উৎসবের আবেগে কোনও ঘাটতি নেই। বরং আলোর সাজ, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে আজ ত্রিপুরার ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়বে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আনন্দ। ধনদেবীর কাছে সকলের একটাই প্রার্থনা—সংসারে আসুক সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুদিন।






