Sonamura Lake News : সোনামুড়ায় একটি বৃহৎ জলাশয় মাটি ফেলে ভরাট এবং স্থানীয় কালীমন্দির ভেঙে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁদের দাবি, বারবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সত্ত্বেও জলাশয় ভরাটের কাজ বন্ধ হয়নি। ফলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও জনস্বার্থ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যে এলাকায় জলাশয়টি অবস্থিত, সেখান দিয়ে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ চলছে বলে অভিযোগ। ওই পথের পাশে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে একটি কালীমন্দির গড়ে উঠেছিল। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এরপরও জলাশয় ভরাটের কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
স্থানীয়দের বক্তব্য, একসময় এই জলাশয় এলাকার বাসিন্দাদের পানীয় জল ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর অন্যতম উৎস ছিল। বর্তমানে জলাশয়টি ভরাট হয়ে গেলে পরিবেশের ভারসাম্য এবং স্থানীয় জনজীবনে তার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিষয়টি প্রশাসন এবং স্থানীয় নগর পঞ্চায়েতকে লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁদের প্রত্যাশিত সমাধান মেলেনি। এমনকি প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে হুমকি ও ভয়ভীতির মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, সোনামুড়ার অফিস টিলা এলাকায় এসডিএম কার্যালয়ের কোয়ার্টারের কাছাকাছি এই কর্মকাণ্ড চলছে বলে দাবি স্থানীয়দের। প্রশাসনিক দপ্তরের এত কাছে এমন অভিযোগ ওঠায় নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপের প্রশ্ন সামনে এসেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে জলাশয় ভরাটের কাজ বন্ধ করে ঘটনার তদন্ত করতে হবে। পাশাপাশি, মন্দির ভাঙার অভিযোগ খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রশাসনের কাছে তাঁদের প্রশ্ন, জলাশয়ের সুরক্ষা এবং ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে পারেন তাঁরা। এখন নজর প্রশাসনের পদক্ষেপে।






