প্রয়াত প্রাক্তন বাম বিধায়িকা গৌরি ভট্টাচার্যের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন বিধানসভায় : ত্রিপুরার রাজনীতি তে যুগে যুগে বহু মুখ এসেছে। বহু নেতা নেত্রী তাদের সৎ ও স্বচ্ছ ভাব মূর্তির জন্যে আজো মানুষের কাছে পূজিত, সমাদৃত। এমনি এক জন ছিলেন গৌরি ভট্টাচার্য। ৪ বরজলা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ১৯৭৭ সালে প্রথম কাস্তে হাতুড়ি চিহ্নের টিকিটে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছিলেন গৌরি ভট্টাচার্য। আজ ৮ই আগস্ত, ২০২৬ সালে ৯৫ বছর বয়সে জীবনের কঠিন লড়াই সংগ্রাম কে চিরিতরে বিদায় জানালেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্য জনিত কারণে অসুস্থ্য ছিলেন তিনি। কিছুদিন পূর্বে হাসপাতালে ও চিকিৎসাধীন ছিলেন গৌরি দেবী। বর্তমান বিধায়ক সুদীপ সরকার উনার খোঁজ নিয়েছিলেন হাসপাতালে গিয়েও। বাম পন্থী আন্দোলন ও ভাবধারার এক অনন্য প্রতীক ছিলেন গৌরি ভট্টাচার্য। নিজের সততা ও স্বচ্ছতার জন্যে বিরোধী দের কাছেও সমাদৃত ছিলেন। আজ উনার প্রয়াণে ব্যাথিত উনার পরিবার পরিজন সহ ত্রিপুরা বাম রাজনীতির সাথে উতপ্রতভাবে জড়িত সকলেই।
এদিন দুপুরে প্রয়াত রাজ্যের ৪ বরজলা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়িকা গৌরী ভট্টাচার্য এর মরদেহ নিয়ে আসা হয় পবিত্র বিধানসভায়। উনার প্রয়াণে গভীরভাবে শোক জ্ঞাপন করেন ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য সদস্যা ও মন্ত্রী সভার মন্ত্রীরা। এদিন বিধানসভা প্রাঙ্গণে উনার মরদেহ নিয়ে আসা হলে বিধানসভার উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল , মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, সুধাংশু দাস টিংকু রায় সান্তনা চাকমা এবং বাম বিধায়ক নয়ন সরকার সুদীপ সরকার দীপঙ্কর সেন সহ অন্যান্যরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী শোক ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, বর্তমান যুগের তরুণ প্রজন্মের কাছে হয়তো গৌরি ভট্টাচার্য ততটা পরিচিত মুখ নন কিংবা উনার কাজ সম্পর্কে এই নতুন প্রজন্ম তেমন ওয়াকিবহাল নয়। তবে যতটা জানা যায়, উনি বরজলা কেন্দ্র থেকে সততার সাথে মানুষের হয়ে কাজ করে গেছেন। উনার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা অটুট থাকবে।
এদিন একে একে পুষ্প স্তবক দিয়ে গৌরি ভট্টাচার্যের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মন্ত্রী সভার সদস্য সদস্যা ও অন্যান্যরা।






