Sonamura Accident News : “মানুষ মানুষের জন্য , জীবন জীবনের জন্য । একটু সহানুভুতি কি মানুষ পেতে পারে না ,”
বর্তমান সমাজ জেনো এই কাথাগুলো ভুলেই গেছে । কারোর বিপদে কেউ এগিয়ে আসতে চায় না , পাছে বিপদে পড়ার আশঙ্কায় । দুর্ঘটনায় পতিত মৃত প্রায় ব্যাক্তিকে ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সাহস কেউ করে না পুলিশ কিংবা ফায়ার সার্ভিস না আসা পর্যন্ত । তাতে দুর্ঘটনার শিকার ব্যাক্তি মৃত্যুই হোক না কেনো ।
মানুষের ভয় যেন বাস্তবে রুপান্তরিত হলো । মানবতার হাত বাড়িয়ে পুলিশের হেনস্তার শিকার উদয়পুরের দুই যুবক । ঘটনা সোনামুড়া ইট ভাটা সংলগ্ন এলাকায়। ২রা এপ্রিল বৃহস্পতিবার বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত মেহেদী হাসান । বয়স ২০ বছর । পিতা বাহার মিয়া, বাড়ি সোনাপুর।
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে ড্রেনে পড়ে যায় বাইক সহ মেহেদী হাসান । দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয় মেহেদী হাসান । সড়কে বহু লোকের সমাগম হয় । কিন্তু কেউ আহত মেহেদী হাসান কে হাসপাতালে নিয়ে যান নি । খবর পাঠানো হয় অগ্নি নির্বাপক দপ্তরে । আর এদিকে মেহেদী হাসানের প্রচুর রক্তপাত হচ্ছিলো । ঠিক তখন একই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল উদয়পুরের দুই যুবক।
অন্যারা যখন ক্যামেরায় ভিডিও করতে ব্যস্ত, তখন তারাই আহত যুবককে হাসপাতালে পৌঁছে দেয়। তাড়া হুড়োর জেরে তারা ঘঠনাস্থলেই তাদের হেলমেট ভুলে যায় । আহত যুবককে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার পর পুনরায় তারা ফেলে আসা হেলমেট নেওয়ার জন্য ঘঠনাস্থলের উদ্দ্যেশে রউনা হয় নিজেদের স্কুটি চেপে ।
হেলমেট না থাক্যয় পুলিশ তাদের আটক করে । পুলিশ ঘঠনা সম্বন্ধে অবগত থাকা সত্বেও তাদের সাথে মানবিকতা দেখায় নি । তাদের স্কুটি নিয়ে থানায় চলে আসে বলে জানান উদয়পুরের সেই দুই যুবক। থানার বড় বাবু আসলেই নিতে পারবে স্ক্রুটি , হয়তো ফাইন ও লাগতে পারে বলে জানান তারা ।
মানবতার হাত বাড়িয়ে পুলিশের হেনস্তার শিকার হলো তারা । তাদের বক্তব্য , এ হেনো কারনেই মানুষ মানুষের জন্য সাহায্যের হাত বাড়াতে চায় না । এখন দেখার , উপকারের মাশুল কতটা দিতে হয় তাদের , না কি প্রশংশিত হয় তারা , সেদিকে তাকিয়ে আছে রাজ্যের অভিজ্ঞ মহল ।
সোনামুড়া এসে মানবিক কাজ করতে গিয়ে পুলিশের হেনস্তার শিকার উদয়পুরের দুই যুবক। উল্লেখ্য সোনামুড়া ইট ভাটা সংলগ্ন এলাকায় বাইক মেহেদী হাসান (২০) পিতা বাহার মিয়া, বাড়ি সোনাপুর। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে ড্রেনে পড়ে যায় বাইকটি। তখন একই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছি উদয়পুর এই যুবকরা, অন্যারা যখন ক্যামেরায় ভিডিও করতে ব্যস্ত, তখন তারাই আহত যুবককে হাসপাতালে পৌঁছে দেয়।



