Tripura Electricity News : তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের ডিভিশন–২–এর অধীনে কৃষ্ণপুর উত্তর, মধ্য কৃষ্ণপুর ও দক্ষিণ ঘিলাতলীর একাংশ সোমবার রাত সাড়ে নয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা পর্যন্ত টানা প্রায় ১৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। রাতভর অন্ধকারে ডুবে থাকা এলাকাগুলোতে চরম দুর্ভোগের ছবি সামনে আসে।
স্থানীয়দের অভিযোগ—রাত থেকেই দপ্তরের দেওয়া জরুরি নম্বরে একাধিকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা যায়নি। ফোন সবসময়ই পাওয়া গেছে “সুইচ অফ”। জরুরি পরিষেবার নম্বর যদি কার্যত অচল থাকে, তবে মানুষ সহায়তা চাইবে কোথায়—এই প্রশ্ন তুলছেন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় সকালে ক্ষোভ নিয়ে বহু মানুষ সরাসরি তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ ডিভিশন অফিসে হাজির হন। অভিযোগ, সকাল সাড়ে দশটায় গিয়েও অফিসে ম্যানেজারকে পাওয়া যায়নি। ঠিক সেই সময় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার অরুনাভ দাস জানান, “রাতে কোনো স্টাফ থাকে না, তাই সমস্যা জানা যায়নি। সকালে টিম মাঠে গিয়ে ত্রুটি খুঁজে বের করবে।”
কিন্তু এই মন্তব্যে আরও ক্ষোভ বেড়েছে সাধারণ মানুষের। প্রশ্ন উঠছে— যেখানে বিদ্যুৎ দপ্তরের কাজই জরুরি পরিষেবা নিশ্চিত করা, সেখানে রাতের বেলায় স্টাফ অনুপস্থিত থাকে কীভাবে? জরুরি নম্বর সুইচ অফ থাকে কেন?
স্থানীয়দের বক্তব্য, “রাতভর ফোন করলাম—কেউ ধরল না। অফিসে গেলাম—ম্যানেজার নেই। বিপদের সময়ে আমরা কার কাছে যাব?”
১৩ ঘণ্টার এই অচলাবস্থা শুধু বিদ্যুৎ বিভ্রাট নয়, প্রশাসনিক গাফিলতির নগ্ন চিত্রও সামনে এনেছে। মানুষের প্রশ্ন—এভাবে চলতে থাকলে বিদ্যুৎ দপ্তরের কার্যকারিতা নিয়ে আস্থা রাখবে কীভাবে সাধারণ জনতা?



