Khowai Medicine News : খোয়াই জেলায় নেশার ট্যাবলেট বিক্রির অভিযোগে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অতিরিক্ত মুনাফার আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নাকি সাধারণ ওষুধের আড়ালে যুবসমাজকে নেশায় জড়িয়ে দিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই একাধিক ওষুধের দোকানকে শোকজ নোটিশ ধরিয়ে দিয়েছে জেলা ড্রাগ ইন্সপেক্টর সুব্রত দাস।
সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন যুবকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় ওষুধ উদ্ধার হওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে প্রশাসন। অভিযুক্তদের জবানবন্দিতে উঠে আসে খোয়াই শহরের বেশ কয়েকটি ওষুধের দোকানের নাম। এরপরেই অভিযান চালিয়ে সরাসরি কড়া হুঁশিয়ারি দেন জেলা ড্রাগ ইন্সপেক্টর। তাঁর বক্তব্য, “নির্দিষ্ট অভিযোগ হাতে এসেছে। যে কোনো দোকানে যদি এ ধরনের কার্যকলাপ প্রমাণিত হয়, তাহলে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শুধু মুনাফার জন্য সমাজকে বিপথে ঠেলে দেওয়া এই অসাধু ব্যবসা রুখতে সরকার নাকি আরও বিস্তৃত অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে। ‘নেশামুক্ত ত্রিপুরা’ গড়ার স্বপ্নপূরণে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তারা।
তবে প্রশাসনের পদক্ষেপ এত দেরিতে কেন—এই প্রশ্ন ঘিরেই জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয় মহলের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অনেকেই মনে করছেন এর পেছনে বড় কোনো গোপন স্বার্থচক্র কাজ করছে।
খোয়াইবাসীর একাংশ ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফলে আগামী দিনে এই ইস্যু আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।