Kailasahar Bangladeshi Chor : সীমান্তে পাহারা দিতে নিযুক্ত বিএসএফ। অথচ নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে সেই সীমান্ত বাসীরাই। এ কোনো বিরল ঘটনা নয়। এধরণের ঘটনা ভারত বাংলা সীমান্তে প্রায়শই ঘটছে। কিন্তু তদন্ত নেই। ত্রিপুরার তিন দিক ঘিরে বাংলাদেশ। আর সেই সুযোগ কে কাজে লাগিয়েই সীমান্ত টপকে অহরহ এপারে ঢুকে চুরি সামারি করে পালাচ্ছে চোর।
এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে কৈলাসহর পুরপরিষদের অধীনে বৌলাবাসা শীলপাড়া ১ নং ওয়ার্ড এলাকায় শনিবার গভীর রাতে । সীমান্ত বর্তী ঐ এলাকায় প্রায়শই বাংলাদেশী চোর চক্রের হানা দারির অভিযোগ উঠে আসে। কাঁটা তারের বেড়া কেটে কুটে এরা ভেতরে ধুঁকছে এবং গরু ছাগল চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। শনিবারে ও একই ঘটনা ঘটাবার চেষ্টা করে তারা।
রবিবার দুপুর বেলা এলাকাবাসীরা জানায় ওই এলাকার পাশেই রয়েছে ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কাঁটাতারের বেড়া। আর সেই ব্যারা কেটেই বাংলাদেশী চোরেরা প্রবেশ করে ওই এলাকায়। প্রথমে এক মহিলার বাড়িতে প্রবেশ করে চোরেরা এবং ছাগল চুরি করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ।
পরবর্তী সময়ে পাশে থাকা আরেক ব্যক্তির দোকানের তালা ভাঙ্গার চেষ্টা করে সেই বাংলাদেশী চোরের দল। স্থানীয়রা তা আচ করতে পেরে চিৎকার চেঁচামেচি করলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় চোর চক্র। তবে সেই চোর দের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল বলে জানান এলাকাবাসী। যা দেখে তারা রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
বিষয়টি কেবল মাত্র চুরি অব্দি সীমিত নয়। ধারালো অস্ত্রাদি নিয়ে তারা যে কোনো সময় আক্রমণ অব্দি করতে পারে। এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। তাহলে মানুষ কোথায় নিরাপদ ? সীমান্তে বিএসএফ থাকা সত্বেও যদি মানুষ কে আতঙ্কে বাস করতে হয় তবে এই সীমান্ত বাহিনী মোতায়েন রাখা কেন ?
উপারে বিজিবি এপারে বিএসএফ । কিন্তু উভয়ের নজর টপকে চোর চক্র এপার উপার হচ্ছে। এটা অত্যন্ত চিন্তার বিষয়। বিশেষ করে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক বর্তমানে যে পর্যায়ে দাঁড়িয়ে তাতে করে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে দ্বিগুণ হারে সুরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন অত্যাবশ্যকীয়। এমনটাই মনে করছেন এপারের সচেতন মানুষ।



