খবরে প্রতিবাদ

খবরে প্রতিবাদ

Saturday, 24 January 2026 - 09:55 PM
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ - ০৯:৫৫ অপরাহ্ণ

JMB spy Arrested : ত্রিপুরায় গ্রেফতার বাংলাদেশ ভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য! রাজ্য নিরাপত্তা বাহিনীর বড় সাফল্য

JMB spy Arrested
1 minute read

JMB spy Arrested : ত্রিপুরায় ফের এক বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। ত্রিপুরা পুলিশ, আসাম পুলিশ এবং অন্যান্য সহযোগী নিরাপত্তা সংস্থার যৌথ অভিযানে মঙ্গলবার সকালে আগরতলার পশ্চিম থানার অন্তর্গত জয়পুর এলাকা থেকে বাংলাদেশভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর সঙ্গে যুক্ত এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম জাগির মিয়া (৩৩)। তিনি জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা হানিফ মিয়ার ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জাগির মিয়া দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা সংস্থার নজরদারিতে ছিলেন এবং তিনি ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দায়ের হওয়া এসটিএফ থানার মামলা নং ০৬/২০২৫-এর অভিযুক্ত হিসেবে পলাতক ছিলেন।

তদন্তে উঠে এসেছে, জাগির মিয়া “ইমাম মাহমুদে কাফেলা” নামক একটি জঙ্গি উপ-সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। তদন্তকারী সংস্থার দাবি অনুযায়ী, এই সংগঠনটি নিষিদ্ধ জেএমবি-র আদর্শিক শাখা হিসেবে কাজ করে এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে তাদের কার্যকলাপ বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছিল।

জাগির মিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩-এর একাধিক ধারা—১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৫০, ১৫২ এবং ১১৩(৫)—এর পাশাপাশি বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন বা ইউএপিএ, ১৯৬৭-এর ধারা ১০, ১৩, ১৬, ৩৮, ৩৯ ও ৪০ অনুযায়ী গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতকে বর্তমানে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য ব্যক্তি, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

উল্লেখ্য, জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী, যাকে ভারত, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর এই সংগঠন একাধিক নাশকতামূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত।

ভারতের মাটিতে বসে একটি বিদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্যের কার্যকলাপ নিরাপত্তার দিক থেকে গুরুতর উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এই গ্রেফতারিকে সীমান্ত নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবেই দেখছে প্রশাসন।

For All Latest Updates

ভিডিও