বিনা পারমিটে ৪০০-র বেশি অটোরিকশা বিক্রির অভিযোগ! পরিবহন মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি
ত্রিপুরা রাজ্যে বিনা পারমিটে বিপুল সংখ্যক অটোরিকশা বিক্রির অভিযোগ উঠেছে আগরতলার একটি বাজাজ অটোরিকশা শোরুমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি অনুমতি ছাড়াই রাজ্যজুড়ে ৪০০টির বেশি সিএনজি, পেট্রোল ও ইলেকট্রিক অটোরিকশা বিক্রি করা হয়েছে। এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে পরিবহন মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন রেখেছেন ভারতীয় মজদুর প্রাইভেট ট্রান্সপোর্ট মহাসংঘের প্রভারি অসীম দত্ত।
সংবাদ সম্মেলনে অসীম দত্ত জানান, গত কয়েকদিন ধরে তিনি একাধিক অভিযোগ পাচ্ছিলেন। পরে নিজে গিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করেন। তাঁর দাবি, ত্রিপুরা সরকার পারমিট জারি করার পরই শোরুম থেকে অটোরিকশা বিক্রির নিয়ম থাকলেও সংশ্লিষ্ট বাজাজ শোরুম সেই নিয়ম অমান্য করে অক্টোবরের আগেই প্রায় ৪০০টির বেশি অটো বিক্রি করে দেয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আগরতলা শহরে ইলেকট্রিক অটো চলাচলের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও নোটিফিকেশন থাকা সত্ত্বেও ওই শোরুম প্রায় ৯০টির বেশি ইলেকট্রিক অটো বিক্রি করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হলে পরে ক্ষমা চেয়ে গাড়িগুলির রেজিস্ট্রেশন করানো হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
অসীম দত্ত বলেন, এর আগেও পরিবহন দপ্তর বারবার শহরে যানজটের বিষয়টি উল্লেখ করে অটো নিয়ন্ত্রণে আইন-কানুন জারি করেছে। অথচ বারবার নিয়ম ভেঙে শোরুমটি একই কাজ করে চলেছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ তোলেন যে, সংশ্লিষ্ট শোরুমটির লাইসেন্স নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং রাজ্যজুড়ে প্রায় ৩৭টি পয়েন্ট ও একাধিক গুদাম খুলে বেআইনিভাবে ব্যবসা চালানো হচ্ছে। এর ফলে রাজ্যের প্রাইভেট ট্রান্সপোর্ট ও অটোরিকশা চালকদের জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জোর দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে শোরুমটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যথায়, সংগঠনের পক্ষ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।



