BJP Leader Affair News : কাঞ্চনমালার এক নম্বর ওয়ার্ডে এক বিজেপি বুথ সভাপতির বিরুদ্ধে পরকীয়ায় জড়িয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে। জানা গেছে বিকাশ ঋষি দাস নামে ওই নেতার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী আনন্দনগর এলাকার এক বিবাহিত মহিলা—রত্না ঋষি দাস—এর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ, গত শুক্রবার দু’জনই গোপনে এলাকা ছেড়ে চলে যান।
বিকাশবাবুর স্ত্রী মালতি মণি দাস জানান, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর তিনি লজ্জায় অপমানিত বোধ করছেন এবং ইতিমধ্যেই আইনি সাহায্যের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার বক্তব্য, “স্বামীর এমন আচরণ মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। আমি আইনের সাহায্যেই বিচার চাই।
”বিকাশবাবুর স্ত্রী মালতি মণি দাস আরও জানান, হঠাৎ স্বামী গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিনি অসহায় পরিস্থিতিতে পড়েছেন। তাঁর কথায়, “আমার সন্তানদের নিয়ে এখন কীভাবে দিন চালাব, বুঝতে পারছি না ।
এ ধরনের ঘটনা মাঝে মাঝেই সামনে আসছে, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে। দায়িত্বশীল রাজনৈতিক পদে থাকা একজন নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দলীয় দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সংগঠনের প্রতি আস্থাও কমে যায়।
যদি ও এই ধরণের ঘটনা সামনে এলে শাসক গোষ্ঠী চাপিয়ে রাখার বা অভিযুক্তকে গার্ড দেওয়ার কাজ করে একরকম ভাবে। এখন দেখার এই ঘটনার পর বুথ সভাপতির বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করে দল।
অভিযোগ তদন্তসাপেক্ষ, তবুও দলীয় দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তা সরাসরি রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা ও জনআস্থাকে প্রভাবিত করে—এ দাবি জোরালোই হচ্ছে। ঘটনাটি সামাজিক মূল্যবোধ, পারিবারিক সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক নৈতিকতার ওপর নতুন করে আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে।
এখন দেখার বিষয়, অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় বিজেপি কী অবস্থান গ্রহণ করে এবং আইনগত তদন্ত কোন দিকে এগোয়।



