খবরে প্রতিবাদ

খবরে প্রতিবাদ

Saturday, 30 August 2025 - 08:11 AM
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫ - ০৮:১১ পূর্বাহ্ণ

Bishlagarh News : বিশালগড় হাসপাতালের বিরুদ্ধে অপপ্রচার নাকি কমিশন বানিজ্য ধামাচাপা দেওয়ার নতুন প্রয়াস ?

Bishlagarh News
1 minute read

Bishlagarh News : বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালকে ঘিরে একাংশ ওষুধ ব্যবসায়ী ও ল্যাব মালিকদের অপপ্রচার সামনে এনেছেন হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ইনচার্জ (MOIC) ডা. রাজীব সরকার। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক।

সংবাদে দাবি করা হয়েছিল যে, বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালের গেট বন্ধ রাখা হচ্ছে এবং রোগীরা সমস্যায় পড়ছেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। হাসপাতালের কোনো গেটই বন্ধ রাখা হয়নি। শুধুমাত্র যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক পার্কিং নিশ্চিত করতে সাময়িক কিছু বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। ডা. সরকার জানান, হাসপাতালের সামনে পার্কিংয়ের জায়গা খুবই সীমিত। ওপিডি কিংবা জরুরি বিভাগের সামনে যদি যত্রতত্র গাড়ি রাখা হয়, তবে অ্যাম্বুলেন্স চলাচল ব্যাহত হয়। এ থেকেই নানা সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছিল।


এই সমস্যার সমাধানে গত মাসে হাসপাতাল কর্মীদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—রোগী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটিয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় জরুরি যানবাহন ও কর্মীদের গাড়ি রাখা হবে। হাসপাতালের অনুরোধে পূর্ত দপ্তর ইতিমধ্যে হাসপাতালের সীমানার বাইরে একটি নির্দিষ্ট পাবলিক পার্কিং তৈরি করেছে। এর ফলে রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা সহজেই গাড়ি রাখতে পারবেন।

অভিযোগ ছিল, গেট বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, প্রধান গেট সবসময় খোলা থাকে। অন্য একটি গেট আংশিক খোলা থাকে যাতে রোগীরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন, তবে যানবাহন প্রবেশ সীমিত রাখা হয়। এ ব্যবস্থা শুধুমাত্র নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, কিছু অসাধু ওষুধ বিক্রেতা ও ল্যাব মালিক দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের ওপিডি থেকে রোগী সংগ্রহে মধ্যস্থতাকারী ব্যবহার করতেন। হাসপাতালের কড়াকড়ির ফলে তাঁদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই তারা হাসপাতাল ও সরকারকে কালিমালিপ্ত করতে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালাচ্ছে।

কিন্তু ডঃ রাজীব সরকারের এহেন দাবী কে সম্পূর্ণ ভাবে মিথ্যে বলে আখ্যা দিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল। তাদের অভিমত কমিশন বানিজ্য ধামাচাপা দিতেই ডঃ রাজীব সরকার এহেন মিথ্যে ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছেন। ডঃ রাজীব সরকারের বিরুদ্ধে বহু বিধ অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতালের গেইট দীর্ঘ দিন যাবত বন্ধ অবস্থায় রয়েছে বলেও দাবী করা হয়েছে। কিন্তু ডঃ বাবু নিজের ঘনিষ্ঠ কিছু লোকের সহযোগিতা নিয়ে সত্যের মোড় ঘুড়িয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে দাবী করা হচ্ছে।
ডা. সরকার বিশালগড় প্রেস ক্লাবকেও চিঠি দিয়েছেন যাতে এধরণের খবরাখবর প্রচার না করা হয়। অভিযোগ বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালের ভেতরেও স্পষ্ট ভাবে ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ করা, ছবি কিংবা ভিডিও করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন উনি। কেন ? হাসপাতালের ভেতরে এমন কি হয় যা ছবি কিংবা ভিডিও করা যাবে না ? এতটুকু চেতনা তো সাংবাদিক দের মধ্যেও রয়েছে। তাহলে , পোস্টার টাঙ্গিয়ে তা উল্লেখ করার কি প্রয়োজন পড়েছে ?

বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ। বহু অজানা তথ্য ফাঁস হতে পারে বলেও অনুমান স্থানীয়দের। ডঃ রাজীব সরকার আদৌ কমিশন বাণিজ্যের সাথে যুক্ত কিনা, উনি সত্য কে মিথ্যে দিয়ে ধামাচাপা দিতে চেষ্টা চালাচ্ছেন কিনা সেদিকেও নজর দাড়ি রাখছেন বিশালগড়ের সচেতন মানুষ। দেখার বিষয় আসল সত্য কবে উন্মোচিত হয়।

For All Latest Updates

ভিডিও