Bishwa Hindu Parishad : ধর্মনগর রাঘনা সীমান্তে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধের দাবি ও বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের অভিযোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। রবিবার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় সংগঠনের কর্মী-সমর্থকেরা জমায়েত হয়ে প্রতিবাদ জানান।
ভিএইচপি নেতৃত্বের বক্তব্য, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর ধারাবাহিক হামলা ও নির্যাতনের খবর তাদের উদ্বিগ্ন করেছে। সংগঠনের দাবি, এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই সীমান্ত এলাকায় প্রতীকী কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বক্তারা বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে ভিএইচপি নেতারা বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণের অভিযোগ বন্ধ না হলে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন। পাশাপাশি, প্রতিবাদস্বরূপ ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে বাণিজ্যিক লেনদেন বন্ধ রাখার দাবি তোলা হয়। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত থেকে বাংলাদেশে খাদ্যদ্রব্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রফতানি বন্ধ করা এবং বাংলাদেশ থেকে আমদানি স্থগিত রাখাই এই আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপ।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই কর্মসূচি তাদের “প্রথম পদক্ষেপ” মাত্র। ভবিষ্যতে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়। বিক্ষোভ চলাকালীন বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগান শোনা যায়।
ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী মোতায়েন ছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভটি শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। একই সঙ্গে, সীমান্ত বাণিজ্য ও কূটনৈতিক বিষয়গুলি কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির আওতাভুক্ত বলে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে।
এই বিক্ষোভকে ঘিরে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন, আবার অনেকে উত্তেজনামূলক ভাষা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।



